তিন বন্ধুর স্বপ্ন থেকে শুরু
মাছপাড়া, পাংশায় তিন বন্ধুর উদ্যোগে শখের হাঁড়ির যাত্রা শুরু। লক্ষ্য ছিল এলাকার মানুষের জন্য ঘরোয়া স্বাদের খাঁটি বাংলাদেশি খাবারের একটি আপন ঠিকানা তৈরি করা।
আমাদের গল্প
একটি ছোট স্বপ্ন থেকে শুরু হয়েছিল যাত্রা — বাংলার খাঁটি স্বাদকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন।

মাছপাড়া, পাংশা
শখের হাঁড়ির রেস্টুরেন্ট
আমাদের গল্প
গল্পটা শুরু হয়েছিল তিন বন্ধুর একটা সাধারণ কিন্তু গভীর স্বপ্ন থেকে — নিজেদের একটা ব্যবসা গড়ে তোলার স্বপ্ন। চাকরির পেছনে না ছুটে, নিজেরাই কিছু একটা করার যে সাহস — সেটাই ছিল তাদের শুরুর পুঁজি।
তারা অনেক ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে ভাবলেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই তারা একটা বাস্তব সমস্যা চোখে দেখলেন — পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নে কোনো মানসম্পন্ন রেস্টুরেন্ট নেই। এলাকার মানুষ প্রতিদিন ভালো খাবারের জন্য দূরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। পরিচিত মানুষদের এই কষ্টটাই তাদের মনে গেঁথে গেল।
সেই সমস্যাটাই হয়ে উঠল তাদের সুযোগ। তিন বন্ধু মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন — রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় নামবেন এবং নিজের এলাকার মানুষের জন্যই কাজ করবেন। শুধু ব্যবসা নয়, তারা চেয়েছিলেন এমন একটা জায়গা তৈরি করতে, যেখানে মানুষ পরিবার নিয়ে আসবেন, বন্ধুর সাথে আড্ডা দেবেন, আর ঘরের মতো উষ্ণ পরিবেশে খাঁটি বাংলাদেশী খাবারের স্বাদ পাবেন।
এভাবেই জন্ম হলো শখের হাঁড়ির। তিন বন্ধুর অক্লান্ত পরিশ্রম, ভালোবাসা আর এলাকার মানুষের আস্থায় আজ শখের হাঁড়ি শুধু একটি রেস্টুরেন্ট নয় — এটি মাছপাড়ার মানুষের একটি আপন ঠিকানা।
১০০০+
সন্তুষ্ট গ্রাহক
৫০+
বিশেষ পদ
১+
বছরের অভিজ্ঞতা
৪.৯★
গড় রেটিং
মাছপাড়া, পাংশায় তিন বন্ধুর উদ্যোগে শখের হাঁড়ির যাত্রা শুরু। লক্ষ্য ছিল এলাকার মানুষের জন্য ঘরোয়া স্বাদের খাঁটি বাংলাদেশি খাবারের একটি আপন ঠিকানা তৈরি করা।
স্বাদ, পরিচ্ছন্নতা আর আন্তরিক সেবার কারণে এলাকাবাসীর ভালোবাসা বাড়তে থাকে। নিয়মিত অতিথিদের মতামত ধরে মেনুতে জনপ্রিয় পদগুলো গড়ে ওঠে।
গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে ফোন ও অনলাইন অর্ডার গ্রহণ শুরু হয়। এখন পরিবার নিয়ে না আসলেও প্রিয় খাবার পৌঁছে যায় আপনার দরজায়।
খাবারের মান, পরিচ্ছন্নতা এবং পারিবারিক পরিবেশ—সবকিছুতেই মান বজায় রাখতে রান্নাঘর ও সার্ভিসে নতুন স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়।
ওয়েবসাইটে বিস্তারিত মেনু, কার্ট ও যোগাযোগ তথ্য যুক্ত হয়—যাতে গ্রাহকরা সহজে পছন্দের আইটেম দেখে অর্ডার দিতে পারেন।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক
কৌশল, মান নিয়ন্ত্রণ ও টিম লিডারশিপের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

পরিচালক
সেবা, কাস্টমার অভিজ্ঞতা ও দৈনন্দিন সিদ্ধান্তে দিকনির্দেশনা দেন।

অপারেশন কো-অর্ডিনেটর
দৈনন্দিন অপারেশন, সমন্বয় ও সময়মতো সেবাদানে তদারকি করেন।

নান গ্রিল মাস্টার
১০ বছরের অভিজ্ঞতা

বিরিয়ানির হেড শেফ
১৫ বছরের অভিজ্ঞতা

ভাজা পোঁরা স্পেশালিস্ট
১২ বছরের অভিজ্ঞতা
আজই অর্ডার করুন এবং বাংলার খাঁটি রান্নার স্বাদ উপভোগ করুন আপনার ঘরে বসে।
মেনু দেখুন ও অর্ডার করুন